সোমবার , ০৯ অক্টোবর ২০১৭

ভারতের উত্তর প্রদেশের যোগী আদিত্যনাথের রাজ্যে মুসলিম নারীদের পার্লারে যাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। গতকাল শনিবার উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুর জেলায় অবস্থিত বিখ্যাত কওমি মাদরাসা দারুল-উলুম দেওবন্দ-এর পক্ষ থেকে এ ফতোয়ার কথা জানানো হয়েছে। মাদরাসাটির দারুল ইফতা বিভাগ থেকে এই ফতোয়া জারি করা হয়। খবর সংবাদ প্রতিদিন। 

ফতোয়ার ঘোষণা করেন সংগঠনটির প্রধান মাওলানা কাজমি। ফতোয়ায় জানানো হয়েছে, মুসলিম নারীদের রূপচর্চা ও চুল কাটার মতো কাজ ইসলামের নিয়মবিরুদ্ধ। তাই নারীদের পার্লারে যাওয়া উচিত কাজ নয়। শুধু তাই নয়, চুল কাটতেও পারবেন না কোনও মুসলিম নারী। কাজমি আরও জানান, বর্তমানে বহু মুসলিম নারীই পার্লারে যাওয়ার ঝোঁক রয়েছে। তাই এই ধরনের ফতোয়া আরও আগে জারি করা উচিত ছিল। এই ঘোষণায় নতুন করে দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।

সম্প্রতি সাহারানপুরের এক ব্যক্তি দারুল-উলুম দেওবন্দের ফতোয়া বিভাগে একটি প্রশ্নে জিজ্ঞাসা করেন, ইসলামিক রীতিতে নারীদের ভ্রু প্লাক কিংবা চুল কেটে ফেলা কি বৈধ? ‘ইসলাম কি মহিলাদের রূপচর্চা এবং চুল কাটার অনুমতি দেয়?’ তার এই প্রশ্নের জবাবে দারুল-উলুম দেওবন্দ বিশ্ববিদ্যালয় ফতোয়া জারি করে জানায়, এই ধরনের সমস্ত কাজ ইসলাম বিরুদ্ধ। আরও বলা হয়, ‘কোনও নারী যদি এই ধরনের কাজে যুক্ত হন, তাহলে স্পষ্টতই তিনি ইসলামের নিয়ম ভাঙবেন। ’

দারুল ইফতা সংগঠনটির মতে, ইসলামে মোট দশটি এমন কাজের উল্লেখ রয়েছে যা মুসলিম নারীদের কখনই করা উচিত নয়। এর মধ্যেই একটি কাজ হল এই ভ্রু প্লাক। এই প্রসঙ্গে কাজমি বলেন, ‘চুল কেটে ফেলা বা রূপচর্চা- মুসলিম নারীদের এগুলি কখনওই করা উচিত নয়। কারণ এর ফলে নারীদের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। ’

তার মতে, মুসলিম নারীদের অবশ্যই পার্লার জাতীয় জায়গা থেকে দূরে থাকা উচিত। কারণ রূপচর্চার কারণেই অন্যান্য পুরুষরা তাদের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে ওঠেন। 

 পাঁচমিশালি থেকে আরোও সংবাদ

আর্কাইভ