মঙ্গলবার , ১৫ অক্টোবর ২০১৯ |

সেরাদের ছাড়াই পাকিস্তানে শ্রীলঙ্কার ইতিহাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক   মঙ্গলবার , ০৮ অক্টোবর ২০১৯

নিরাপত্তা ঝুঁকি মাথায় রেখে দলের সঙ্গে পাকিস্তান সফরে আসেননি দলের নিয়মিত খেলোয়াড়দের অন্তত ১০ জন। ফলে পেস বোলিং অলরাউন্ডার দাসুন শানাকার নেতৃত্বে আনকোরা এক দলই পাঠায় শ্রীলঙ্কান ক্রিকেট বোর্ড (এসএলসি)। অথচ মাঠের খেলায় একদমই বোঝার উপায় নেই এটি যে শ্রীলঙ্কার নিয়মিত দল নয়। টি-টোয়েন্টি র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষস্থানীয় দলটিকে তাদেরই ঘরের মাঠে রীতিমতো নাকানিচুবানি খাওয়াচ্ছে শ্রীলঙ্কার নতুন দলটি।

ওয়ানডে সিরিজে লঙ্কানরা পাকিস্তানের কাছে পাত্তা না পেলেও, টি-টোয়েন্টি সিরিজে ঠিকই ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এরই মধ্যে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম দুইটি জিতে সিরিজ জয় নিশ্চিত করেছে সফরকারীরা। পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে ইতিহাসই গড়েছে দাসুন শানাকার দল।

প্রথম টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানকে ১০১ রানে অলআউট করে ৬৪ রানের ব্যবধানে জিতেছিল শ্রীলঙ্কা। দ্বিতীয় ম্যাচে খানিক উন্নতি ঘটিয়ে ১৪৭ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। তবে লঙ্কানরা আগে ব্যাট করে ১৮২ রান করায়, ৩৫ রানের পরাজয়ই সঙ্গী স্বাগতিকদের।

সোমবার লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে শ্রীলঙ্কা। তিন নম্বরে নামা ভানুকা রাজাপাকশে খেলেন ৪৮ বলে ৭৭ রানের অসাধারণ এক ইনিংস। পাকিস্তানি বোলারদের ছাতু বানিয়ে ৪টি চারের সঙ্গে ৬টি ছক্কা হাঁকান এ তরুণ ব্যাটসম্যান। ভানুকাকে যথাযথ সঙ্গ দিয়ে শেহান জয়াসুরিয়া ২৮ বলে ৩৪ এবং অধিনায়ক দাসুন শানাকা ১৫ বলে অপরাজিত ২৭ রান করলে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮২ রানের বড় সংগ্রহ পায় শ্রীলঙ্কা।

জবাব দিতে নেমে প্রথম ম্যাচের মতোই নুয়ান প্রদীপ ও ইসুরু উদানার বোলিং তোপে পড়ে পাকিস্তান। একপর্যায়ে মাত্র ৫২ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা। সেখান থেকে ইমাদ ওয়াসিম ৪৭ ও আসিফ আলি ২৯ রান করলে কোনোমতে পরাজয়ের ব্যবধান কমায় স্বাগতিকরা। ইমাদ-আসিফ জুটিতে মাত্র ৪৭ বলে আসে ৭৫ রান।

শেষপর্যন্ত এক ওভার বাকি থাকতেই ১৪৭ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। শ্রীলঙ্কার পক্ষে কাসুন রাজিথা ১, ইসুরু উদানা ২, হাসারাঙ্গা ডি সিলভা ৩ ও নুয়ান প্রদীপ নেন ৪টি উইকেট। একই মাঠে বুধবার সিরিজের শেষ ম্যাচে লড়বে দুই দল।

 খেলাধুলা থেকে আরোও সংবাদ

ই-দেশকাল

আর্কাইভ