মঙ্গলবার , ১০ অক্টোবর ২০১৭

কাল থেকে সিনেমা হলের যাত্রা শুরু

  মঙ্গলবার , ১০ অক্টোবর ২০১৭

সিনেমা হল। নামটা শুনলেই  অনেকগুলো মুখ চোখের সামনে ভেসে ওঠে। যেমন লাইটম্যান, গেটম্যান, টিকিট বিক্রেতা, ম্যানেজার, সুপারভাইজার, মেশিনম্যান, হল মালিক ও তাদের পরিবার পরিজন। এছাড়াও ভেসে ওঠে হলের সামনের সাইকেল স্ট্যান্ড, দোকানদার,  বাদামওয়ালা এমনকি কালোবাজারীসহ নানা পেশার মানুষের মুখ। এসব মানুষের গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে ধারাবাহিক নাটক ‘সিনেমা হল’। এমনটাই জানালেন নাটকটির নির্মাতা ও অভিনেতা কচি খন্দকার।

নাটক প্রসঙ্গে  কচি খন্দকার বলেন, ‘সিনেমা হলের সঙ্গে কার প্রেম ছিল না? বাপের পকেট কেটে কে সিনেমা হলে যায়নি? সিনেমা হল প্রেমিকার মতো। হলের নামগুলো মনে পড়তেই মন দুলে ওঠে, প্রাণে আনন্দের বাঁশি বেজে উঠে! বনানী, গোধুলী, রুপা, রুপালি, রুপোসী, জলসা কলি থেকে আনারকলি শ্রাবণ-শ্রাবণী, শ্রাবণধারা সব যেন প্রেমময় প্রেমিকার নাম। সেই সিনেমা হলের গল্প নিয়ে নির্মিত হচ্ছে এ ধারাবাহিক নাটকটি।’

 



অভিনয়ের পাশাপাশি নাটকও নির্মাণ করেন কচি খন্দকার। বরাবরই ভিন্ন ঘরানার ভাবনা উঠে আসে তার নাটকের গল্পে। এ নাটক প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, ‘সিনেমা হল নাটকরে গল্পটি বর্তমান সময়ের হলেও নাটকে বারবার ফিরে যাওয়া হয়েছে সত্তর কিংবা আশির দশকে। যে সময় সিনেমা হলের ভালো সময় ছিল। সুপারহিট সিনেমার রমরমা ব্যবসা ছিল। তখন সিনেমা হলের কর্মচারীদের মনে সুখ ছিল, শান্তি ছিল সমৃদ্ধি ছিল। কালক্রমে সেই সিনেমা হল বাংলাদেশের অন্যান্য সিনেমা হলগুলোর মতো বিবর্ণ, রুগ্ন হয়ে গেছে।’

নাটকের গল্প শুধু সিনেমা হলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। সিনেমা হল থেকে তা গড়িয়েছে বিএফডিসি পর্যন্ত। এখানকার হাল হকিকতও নাটকে তুলে ধরা হয়েছে বলে জানান এই নির্মাতা।

নাটকটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন মোশাররফ করিম, তারিক আনাম খান, আবুল হায়াত, ফারুক আহমেদ, চিত্রনায়ক ইমন, শর্মিলী আহমেদ, চিত্রলেখা গুহ , নাদিয়া নদী, মিলন ভট্টাচার্য, আনোয়ার শাহী, সিদ্দিক মাস্টার, সৈকত প্রামানিক, হিমে হাফিজ, মজিবর, আফরোজা, সূচনা, আরিফুর রহমান প্রমুখ।

 



নগরীর দক্ষিণ খান, বিএফডিসি, মানিকগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে নাটকটির দৃশ্যায়নের কাজ হয়েছে। আগামীকাল বুধবার থেকে নাটকটির প্রচার শুরু হতে যাচ্ছে। সপ্তাহে প্রতি বুধ ও বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় নাটকটি এটিএন বাংলায় প্রচারিত হবে।

 ফিচার থেকে আরোও সংবাদ

আর্কাইভ