বুধবার , ১৩ নভেম্বর ২০১৯ |

ভিসির পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলনে আহসানউল্লাহর শিক্ষার্থীরা

অনলাইন ডেস্ক   মঙ্গলবার , ২৯ অক্টোবর ২০১৯

উপাচার্যের অপসারণসহ নয় দফা দাবিতে মঙ্গলবার আহছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন।

‘স্বেচ্ছাচারিতা’সহ বিভিন্ন অভিযোগে আহছানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক কাজী শরিফুল আলমের পদত্যাগসহ নয় দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার দুপুরে সব ভবনে তালা ঝুলিয়ে দ্বিতীয় দিনের মতো ক্যাম্পাসে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা। শিক্ষার্থীরা বলছেন, ভারপ্রাপ্ত হিসাবে পদে আসার পর থেকে নানা রকম ‘স্বেচ্ছাচারী সিদ্ধান্ত’ নিয়ে আসছেন উপাচার্য। উপাচার্য পদে ভারপ্রাপ্ত থাকাবস্থায় উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষসহ পাঁচটি পদে ভারপ্রাপ্ত হিসাবে রয়েছেন তিনি।

উপাচার্যের পদত্যাগের পাশাপাশি তার সময়ে নেওয়া সব প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিও করছেন তারা। নয় দফা দাবিতে সোমবারই বিক্ষোভ দেখিয়েছিল শিক্ষার্থীরা। এরপর মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে ক্যাম্পাসের সব একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনে তালা দিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা।

মঙ্গলবারের অবস্থান কর্মসূচি চলে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। এর আগে বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে এসএম শাহরিয়ার সাংবাদিকদের বলেন, “আজকে আমরা ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে আন্দোলন শুরু করেছি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা কোনো ধরনের ক্লাস পরীক্ষায় অংশ নেব না।”

শিক্ষার্থীদের নয় দফা

>> ভিসিকে প্রশাসনিক সব পদ থেকে পদত্যাগ করতে হবে। তার দায়িত্বকালে নেওয়া সব প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে।

>> বর্তমান ভিসির জন্য যে ১০ ‘সিনিয়র ফ্যাকাল্টিকে’ বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়তে হয়েছে, তাদের স্বসম্মানে ফিরিয়ে আনতে হবে।

>> সেমিস্টার বাবদ নেওয়া অর্থ কোন কোন খাতে ব্যয় হচ্ছে তা কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।

>> ক্লিয়ারেন্সে টাকা দেওয়ার নতুন আরোপিত নিয়ম বাতিল ও ’ক্যারি ক্লিয়ারেন্সে’ সর্বোচ্চ সিজিপিএ ৩ করতে হবে।

>> ইউনিভার্সিটিতে অ্যালাইমনাই অ্যাসেসিয়েশন গঠনে সম্মতি দিতে হবে।

>> সেমিস্টারে এস্টাবলিশমেন্ট ও ডেভেলপমেন্ট ফি নেওয়া হলেও তার সব সুবিধা দেওয়া হয় না। এ সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। ল্যাব সুবিধা, ক্লাস রুম উন্নয়ন, ওয়াশ রুম সংস্কার, নিরাপত্তা জোরদার, ক্যান্টিনের খাবার ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত, যাতায়াত ব্যবস্থা ও গবেষণায় বরাদ্দ বৃদ্ধি করতে হবে।

>> বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি অরাজনৈতিক ছাত্র সংগঠন গঠনের অনুমতি দিতে হবে, যেখানে প্রতিনিধিত্ব করবে বর্তমান শিক্ষার্থীরা।

>> নতুন করে একাডেমিক ক্যালেন্ডার বর্তমান সেমিস্টার রুটিনের আদলেই তৈরি করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে।

>> সাংস্কৃতিক ও প্রগতিশীল কর্মকাণ্ডকে ক্যাম্পাসে সহজ ও সাবলীল করার লক্ষ্যে ‘র‌্যাগ ফেস্ট’সহ সব ধরনের সাংস্কৃতিক আয়োজন ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করতে হবে।

 শিক্ষা থেকে আরোও সংবাদ

ই-দেশকাল

আর্কাইভ