সোমবার , ১৩ জানুয়ারী ২০২০ |

কর্গো হ্যান্ডেলিংয়ে ১১৮ কোটি টাকা দুর্নীতি

আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন বিমানের ১০ কর্মকর্তা

অনলাইন ডেস্ক   সোমবার , ১৩ জানুয়ারী ২০২০

বাংলাদেশ বিমানের কার্গো হ্যান্ডলিংয়ের ১১৮ কোটি টাকার দুর্নীতি মামলায় বিমানের ১০ কর্মকর্তা আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন।  আজ সোমবার ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েশ এ জামিন মঞ্জুর করেন।

জামিন পাওয়া আসামিরা হলেন কার্গো শাখার সাবেক সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্যিক) মো. লুতফে জামাল, সাবেক সহকারী ব্যবস্থাপক মোশাররফ হোসেন তালুকদার, সাবেক সহকারী ব্যবস্থাপক রাজিব হাসান (বাণিজ্যিক), সাবেক সহকারী ব্যবস্থাপক নাসির উদ্দিন তালুকদার (বাণিজ্যিক), সাবেক সহকারী ব্যবস্থাপক কে এন আলম (বাণিজ্যিক), সাবেক সহকারী ব্যবস্থাপক সৈয়দ আহমদ পাটোয়ারি (বাণিজ্যিক), সাবেক সহকারী ব্যবস্থাপক মনির আহমেদ মজুমদার (বাণিজ্যিক, কার্গো শাখা, বর্তমানে পিআরএল), সাবেক ব্যবস্থাপক এ কে এম মঞ্জুরুল হক (আমদানি), সাবেক সহকারী ব্যবস্থাপক মো. শাহজাহান (বাণিজ্যিক) ও বর্তমানে কার্গো আমদানি শাখার সহকারী ব্যবস্থাপক মো. ফজলুল হক (বাণিজ্যিক)।

আসামিদের পক্ষে সিনিয়র অ্যাডভোকেট সৈয়দ রেজাউর রহমান জামিনের আবেদন করেন।  আবেদনে তিনি বলেন, মামলাটি উদ্দেশ্যমূলক, অন্যদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে দায়ের করা হয়েছে।

দুদকের পক্ষে প্রসিকিউটর মাহামুদ হোসেন জাহাঙ্গীর জামিনের বিরোধিতা করে বলেন, ‘দায়িত্ববান ব্যক্তিরা রাষ্ট্রের টাকা নিজেরা আত্মসাৎ এবং অন্যদের আত্মসাৎ করতে সাহায্য করেছেন। আসামিদের জামিন নামঞ্জুরের প্রার্থণা করছি।  উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিনের আদেশ দিক।’

এর আগে গত ১৭ ডিসেম্বর আসামি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের (সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগ) সাবেক পরিচালক আলী আহসান বাবু ও উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) ইফতিখার হোসেন চৌধুরীর জামিন মঞ্জুর করেন একই আদালত।  তারা গত ৩ ডিসেম্বর গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে গিয়েছিলেন।

এর আগে গত ৩ ডিসেম্বর  বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কার্গো হ্যান্ডলিংয়ের ১১৮ কোটি ৪ লাখ টাকার বেশি ক্ষতিসাধনের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির ১৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদক উপপরিচালক মো. নাসির উদ্দিন মামলা দায়ের করেন।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০১২ সালে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এক সভায় সিদ্ধান্ত হয় নন-শিডিউল ফ্রেইটারের মাধ্যমে কার্গো ও মেইল পরিবহনের ক্ষেত্রে শিডিউল ফ্রেইটারের কাছ থেকে আদায়যোগ্য চার্জের অতিরিক্ত হিসেবে প্রতি কেজির জন্য নির্ধারিত হারে চার্জ আদায় করা হবে।  মোট ৪ হাজার ১১৫টি নন শিডিউল ফ্রেইটার সর্বমোট ১৩ কোটি ৯৮ লাখ ৯২ হাজার ৪৯০ কেজি কার্গো ও মেইল পরিবহন করে।  যার মধ্যে ১ কোটি ৫০ লাখ ৯৩ হাজার ৭৪ মার্কিন ডলার বা ১১৮ কোটি ৪ লাখ ১৭ হাজার টাকা আত্মসাৎ হয়।

 আইন-আদালত থেকে আরোও সংবাদ

ই-দেশকাল

আর্কাইভ