শনিবার , ২১ মার্চ ২০২০ |

নিজের ভোট দিতে পেরেছি এটাই সৌভাগ্যের: রবিউল

অনলাইন ডেস্ক   শনিবার , ২১ মার্চ ২০২০

কেন্দ্র থেকে ধানের শীষের প্রায় সব এজেন্ট বের করে দেয়া হয়েছে এমন অভিযোগ করে বিএনপির প্রার্থী রবিউল আলম রবি বলেছেন, প্রথম দুই আড়াই ঘন্টায় আমি ১৩টি কেন্দ্র ঘুরেছি। ভোটারের উপস্থিতি নাই। যুবলীগ, ছাত্রলীগ দখল করে আছে।

শনিবার বেলা ১১টায় ধানমন্ডি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভোট কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন ঢাকা-১০ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির সংসদ সদস্য প্রার্থী রবি। তিনি বলেন, প্রার্থী হিসেবে নিজের ভোট দিকে পেরেছি এটাই সৌভাগ্য।

রবি বলেন, আমি কেন্দ্রে দেখলাম একটি ভোট পড়েছে। অথচ আওয়ামী লীগের অনন্ত ২৫ জনকে ভেতরে দেখলাম। এজেন্ট হতে হলে ভোটার হতে হয়। এখন পর্যন্ত যা দেখলাম এই কেন্দ্রে ১টা ভোট পড়েছে, তাহলে কি এজেন্টরাও ভোটার না।

এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি প্রার্থী বলেন, করোনাভাইরাস নয় ভোট ব্যবস্থাপনার জন্য ভোটার কেন্দ্রে আসছেন না। ভোট ব্যবস্থা নিয়ে মানুষ আতঙ্কে আছে। গত নির্বাচনে ৭ ভাগ ভোট পড়েছে দেখানো হয়েছে ২৫ ভাগ। এবার ০.১ ভাগ কাউন্ট করা যাবে না।

এক প্রশ্নের জবাবে রবিউল বলেন, সব কেন্দ্র সরকারি দলের লোকজন দখল করে রেখেছে। আমার প্রায় সব এজেন্ট বের করে দেয়া হয়েছে। আমি প্রার্থী হিসেবে যে ভোট দিতে পেরেছে এটাই সৌভাগ্যের বিষয়। জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারছে না।

সাংবাদিকদের কাছে প্রতিক্রিয়া জানানোর সময় উত্তেজিত হয়ে পড়েন রবিউল আলম। রবিউল আলম বলেন, এভাবে ভোট চলতে পারে না। আমরা এখান থেকে চলে যাওয়ার পর দেখবেন কেউ নাই এখানে। ভোটারও আসতে পারবে না। আমরা কর্মীরা গিয়েছে তাদের উপর হামলা করা হচ্ছে। একটা স্বাধীন দেশে এমন হতে পারে না। এটা কোনও ভোট ব্যবস্থাপনা না। এটা বন্ধ করে দেওয়া উচিত।

রবিউলের প্রতিক্রিয়া জানানোর সময় ক্ষুব্ধ হয়ে স্কুলের তিন তলার ভোট কক্ষ থেকে আওয়ামী লীগ প্রার্থী শফিউল আলম মহিউদ্দিনের একজন পোলিং এজেন্ট বারান্দায় এসে উত্তেজিত হয়ে উচ্চস্বরে বলেন- এটা বক্তৃতা দেওয়ার জায়গা না, এটা ভাষণের জায়গা না। এ সময় উত্তেজনার সৃষ্টি হয় ভোট কেন্দ্রে। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে।

প্রিজাইডিং অফিসার মো. মনসুর আলী বলেন, ‘উত্তেজনার বিষয়ে আমি শুনেছি। তবে কি হয়েছে এখন বলতে পারবো না। আমাকে খোঁজ নিতে হবে।’

 রাজনীতি থেকে আরোও সংবাদ

ই-দেশকাল

আর্কাইভ