বুধবার , ০১ নভেম্বর ২০১৭

ভারতের একটি দ্রুত বিচার আদালত ১০ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণের দায়ে তারই দুই চাচাকে অভিযুক্ত করেছেন। আগামীকাল এই ঘটনায় ওই দুই চাচার রায় ঘোষণা করবেন আদালত। খরব বিবিসির।চাচার ধর্ষণের ঘটনায় শিশুটি গর্ভধারণ করে। পরে গেলো আগস্টে সন্তানের জন্ম দেয় শিশুটি।

গত বছরের জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে শিশুটি পেট ব্যথার কথা জানায়। পরে তাকে বাবা-মা হাসপাতালে নিয়ে গেলে তার গর্ভবতী হওয়ার বিষয়টি প্রকাশ পায়।১০ বছর বয়সী ওই শিশু মা হওয়ার ঘটনায় ভারত এবং বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোচনার ঝড় উঠে।ওই শিশুটিকে তার গর্ভবতী হওয়ার বিষয়টি জানানো হয়নি বরং তাকে বলা হয়েছিল যে তার পেটে পাথর হয়েছে। গেলো আগস্টে ওই শিশুটি মা হওয়ার পর সেই সন্তানকে শিশু কল্যাণ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়।কয়েক মাস ধরে তার চাচা তাকে ধর্ষণ করছিল বলে সে পুলিশ ও শিশুকল্যাণ কর্মীদের জানায়। পরে ভিডিও লিংকের মাধ্যমে আদালতেও শিশুটি অভিযুক্তদের ব্যক্তিদের নাম ও নির্যাতনের ধরনের বিষয়টি তুলে ধরে। সন্তানের বাবা সন্দেহে শিশুটির বড় চাচাকে সন্দেহ করা হলেও ডিএনএ পরীক্ষায় তা প্রমাণ না হওয়ায় পুলিশ অনুসন্ধানের পরিধি বাড়ায়। পরে শিশুটির ছোট চাচার ডিএনএ পরীক্ষা করা হলে, সে ওই সন্তানের বাবা বলে প্রমাণিত হয়।এর আগে শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে গর্ভপাতের আবেদন করা হয়। কিন্তু তখন ওই শিশুটি ৩০ সপ্তাহের গর্ভবর্তী ছিল উল্লেখ করে চন্ডিগড়ের একটি আদালত সেই আবেদন নাকচ করে দেয়। পরে ডাক্তারদের একটি প্যানেলও ‘খুব বিপজ্জনক’ উল্লেখ করে গর্ভপাতের বিপক্ষে মত দেয়। এদিকে একই যুক্তি দেখিয়ে সুপ্রিম কোর্টও শিশুটির গর্ভপাতের বিপক্ষে মত দেয়।ভারতের আইন অনুযায়ী গর্ভের সন্তানের বয়স ২০ সপ্তাহের বেশি হলে গর্ভপাতের অনুমতি নেই। তবে সন্তান জন্মদানে মায়ের জীবনের ঝুঁকি আছে, ডাক্তাররা যদি এমনটা বলে সেক্ষেত্রে গর্ভপাতের অনুমতি রয়েছে।

 আদালত থেকে আরোও সংবাদ

আর্কাইভ