রবিবার , ১০ সেপ্টেম্বর ber ২০১৭

বিশ্ব মুসলিমের সর্ববৃহৎ তীর্থস্থান মক্কা। প্রতি বছর লাখ লাখ মুসলমান হজ পালন করার জন্য সৌদি আরবের মক্কায় আসেন। বাইরে থেকে যারা আসেন তারা সৌদির অতি উষ্ণ এবং আর্দ্র আবহাওয়ার ভয়ে ভীত থাকেন। তাদের জন্য এবার সুসংবাদ।

প্রযুক্তিনির্ভর দুনিয়ায় স্মার্ট মোবাইল, টেলিভিশন, গাড়ি-বাড়ি, ফ্রিজসহ আরো কত কি! যুগের চাহিদায় এবার এলো এয়ারকন্ডিশন্ড স্মার্ট ছাতা।

সৌদি আরবের পবিত্র মক্কার এক উদ্ভাবক মোহাম্মদ বিন হামেদ আস-সায়েগ নিয়ে এলেন স্মার্ট এয়ারকন্ডিশন্ড ‘মক্কা ছাতা’। ছাতাটির বৈশিষ্ট্য হলো- এটি ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা নিঃসরণ করতে পারে; এর ওজন মাত্র ৬৬০ গ্রাম যা সহজে বহন করা যায়।

ছাতাটি বাণিজ্যিকভাবে বাজারজাত শুরু হয়েছে। ছাতাটির বিশেষত হলো উপরে সেটিং করা একটি ফ্যান নিচের হাতলে রক্ষিত পানি টেনে উপরে তুলে শিশিরের মতো বর্ষণ করে থাকে। এতে করে শিশির ভেজা সুশীতল বাতাসে প্রচণ্ড গরম থেকে স্বস্তি পাওয়া যায়। এ ছাতা হাজীদের স্বস্তি দিবে বলে উদ্ভাবকের বিশ্বাস।

এর আগে গত বছর প্রখর রোধ থেকে ছায়া, ফ্যানের বাতাস, জিপিএস এবং সৌর চার্জিং সুবিধাসহ তৈরি করা হয়েছিল এ স্মার্ট ছাতা। আসন্ন হজের সময় মুসল্লিদের কষ্ট কমাতে সৌদির ওই বিজ্ঞানী নিয়ে এলেন এই র্স্মাট ছাতা।

জেদ্দায় আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের সময় ছাতাটির আবিষ্কারক মক্কা অধিবাসী মোহাম্মদ হামিদ সাঈদ বলেন, সৌদি আরবের উচ্চ তাপমাত্রা হওয়াতে বিশেষ করে ইউরোপ, এশিয়ায় এবং অন্যান্য দেশের তীর্থযাত্রীদের অধিকাংশই এই ছাতা হজযাত্রা সময় ব্যবহার করতে পছন্দ করছে এবং গত ছয় মাস ধরে ছাতাগুলোর চাহিদা বেড়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘মাক্কার ছাতা পাম্পের মাধ্যমে পানি ছড়িয়ে দিয়ে দীর্ঘ ঘণ্টা কাজ করতে সক্ষম। এটি উচ্চ ক্ষমতার সম্পন্ন যা এ বছর হজযাত্রীদের তাপমাত্রার মধ্যে অভূতপূর্ব আরামদায়ক ও সময়ের সাক্ষী হবে।’

তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, এই অনন্য ছাতা শুধুমাত্র হজযাত্রীরা ব্যবহার করবেন তা নয়, এটি গরম আবহাওয়ার মধ্যেও সৌদি আরবসহ অন্যান্য দেশেও ব্যবহার করা যাবে।

কিং আব্দুল আজিজ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (KACST) ছাতাটি আবিষ্কারের জন্য ইতোমধ্যেই তাকে সার্টিফিকেট দিয়েছেন।

 তথ্য প্রযুক্তি থেকে আরোও সংবাদ

আর্কাইভ