শনিবার , ০৪ নভেম্বর ২০১৭

চলতি বছরের ‘ডিজিটাল খিচুড়ি চ্যালেঞ্জ ২০১৭’ -এর প্রতিযোগিতায় দেশের তিনটি সেবা প্রতিষ্ঠান অভিনব আইডিয়ার মাধ্যমে বিজয়ী হয়েছে। দেশের সামাজিক শান্তি ও বৈচিত্র্যে প্রভাব বিস্তার করে, এমন সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা এবং সেগুলোর কার্যকর সমাধান খুঁজে বের করাই ছিল এবারের চ্যালেঞ্জ। তিন দিনের আয়োজনে ৩০ প্রতিযোগী ৬টি দলে বিভক্ত হয়ে প্রতিযোগিতা করে। এদের মধ্যে থেকে চ্যাম্পিয়ন হয় 'বনসাই', প্রথম রানার্সআপ 'জাগরণ' এবং দ্বিতীয় রানার্সআপ হয় 'সেই তারা'।

গত সোমবার অনুষ্ঠিত চূড়ান্ত পর্বে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। এ সময় তিনি বিজয়ী তিন দলকে জনতা টাওয়ারে কো-ওয়ার্কিং স্পেস বরাদ্দের ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে অন্যান্য প্রতিযোগী দলকে আইসিটি ডিভিশন কর্তৃক বাস্তবায়িত ইনোভেশন ডিজাইন অ্যান্ড ইন্টারপ্রেনিওরশিপ একাডেমি (আইডিয়া) প্রকল্পেও জমা দিতে উদ্বুদ্ধ করেন।

পলক আরও বলেন, তরুণদের অসাধারণ সব আইডিয়াগুলোর মাধ্যমে ডিজিটাল খিচুড়ি চ্যালেঞ্জের মতো একটি প্ল্যাটফর্ম আমাদের দেখিয়ে দিয়েছে যে বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে স্টার্ট-পসংস্কৃতি ছড়িয়ে উদ্ভাবনী শক্তি বাড়াতে ইউএনডিপি ও আইসিটি ডিভিশনের একসাথে কাজ করা কতটা জরুরী। তরুণদের এই উৎসাহ ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নকে বাস্তবতায় রূপান্তর করছে প্রতিদিন।

পুরস্কার পাওয়া তিনটি আইডিয়া বেশ চমকপ্রদ। তরুণদের রাগ ও মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে তাদের সমস্যাগুলো শোনার জন্য 'অনুবট' নামের একটি স্বয়ংক্রিয় অনলাইন মেসেঞ্জারের অ্যাপ্লিকেশন নিয়ে কাজ করবে টিম 'বনসাই'। জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইডিয়া দিয়েছে টিম 'জাগরণ'। অন্যদিকে, 'সেই তারা' আইসিটি দক্ষতা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে গ্রামীণ নারীদের যোগ্য করতে কাজ করবে।

ইউএনডিপি বিজয়ী দলের সাথে তাদের পথ প্রদর্শক হিসেবে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে। তাদের আইডিয়া ও পরিকল্পনা বাস্তবায়ন  করতে  সহায়তা করবে এবং সফল প্রার্থীদের তাদের প্রচার এবং বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে সাহায্য করবে। 

বিজয়ী তিনটি দলকে পুরস্কার হিসেবে ৫ হাজার ডলার দেওয়া হয়। ইউএনডিটির আয়োজনে এই চ্যালেঞ্জের সহযোগিতায় ছিল আইসিটি ডিভিশন, ফেসবুক ও মাইক্রোসফট।

 তথ্য প্রযুক্তি থেকে আরোও সংবাদ

আর্কাইভ