শনিবার , ০৪ নভেম্বর ২০১৭

রোকনুজ্জামান, জামালপুর থেকে ॥
জামালপুরে নবম শ্রেণীর ছাত্রী সুমাইয়া আক্তার উর্মিকে অপহরণকালে গাড়ীসহ ৬ জনকে আটকের খবর পাওয়া গেছে।  গতকাল শনিবার সকালে সদরের তুলশীপুর বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, সুমাইয়া আক্তার উর্মি সকালে সদরের নান্দিনা বাজারের প্রাইভেট টিচারের বাড়ী থেকে বের হওয়ার পর রুবেল নামে এক যুবক তাকে পিছন থেকে ডাক দেয়। উর্মি তাতে সাড়া না দেওয়ায় তাদের নিয়ে যাওয়া হায়িক্স ঢাকা মেট্রো-গ ১১-১৯৩১ নাম্বারের গাড়ীতে জোরপূর্বক টেনে তুলে তুলশীপুরের দিকে যেতে থাকে। এ সময় উর্মি গাড়ীতে চিৎকার শুরু করলে তুলশীপুর বাজারের জনগন গাড়ীটি চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলে। পরে সাধারণ জনগন নারায়নপুর তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পুলিশ পরিদর্শক এসআই জসিম উদ্দিন ও এসআই আব্দুল আলিমসহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌছে  উর্মিকে উদ্ধার করে এবং গাড়ীসহ ৬ জনকে আটক করে। আটকৃতরা হলো- লক্ষীরচর ইউনিয়নের মৃত জব্বারের ছেলে রুবেল (২২), একই এলাকার ইউসুফ আলীর ছেলে মোতালেব (২২), রানাগাছা ইউনিয়নের নান্দিনা গেইটপাড় এলাকার সফির উদ্দিন মনজুর ছেলে (কালো মনজু) তারেক (২৪) একই এলাকার বাবুলের ছেলে হাবিবুর রহমান সোহাগ (২১) মোখছেদের ছেলে ইমরান হোসেন (২১) ও খড়খড়িয়া এলাকার মৃত আমজাদ হোসেনের ছেলে আলম হোসেন (চালক) (২৪ )। 
অপহরণকৃত উর্মির বাবা সোহেল রানা উজ্জল জানান, আমার মেয়ে নান্দিনা নেকজাহান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর মানবিক বিভাগে (গ) শাখায় পড়াশোনা করে। প্রায় এক বছর আগে থেকেই রুবেল আমার মেয়েকে নানা রকম কু প্রস্তাব দিয়ে আসছে। আমার মেয়ে বিষয়টি আমাকে জানালে আমি বর্তমান ইউপি সদস্যকে নিয়ে তার অভিভাবককে জানায়। 
এ ব্যাপারে স্কুল ছাত্রী উর্মি জানায়, দীর্ঘদিন ধরেই রুবেল আমাকে নানা ভাবে ডিস্টার্প করে আসছে। শনিবার সকালে আমি প্রাইভেট শেষ করে বের হলে রুবেল আমার পিছু নেয়। একপর্যায়ে তারা আমাকে জোরপূর্বক গাড়ীতে টেনে হিচড়ে তুলে। আমি তখন চিৎকার করতে থাকি। 
নারায়নপুর তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ এসআই জসিম উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌছে উর্মিকে উদ্ধার করি এবং অপহরণকারীসহ গাড়ীটি জব্দ করা হয়েছে। 
অপহরণকারী রুবেল জানান, উর্মির সাথে আমার প্রায় তিন বছরের সম্পর্ক। আমার কাছে নানা রকম যৌথ ছবি আছে এবং তা এলাকার সবাই জানে। 

 আইন-শৃংখলা থেকে আরোও সংবাদ

আর্কাইভ