রবিবার , ০৫ নভেম্বর ২০১৭

মো.মনিরুল আলম .কালীগঞ্জ, গাজীপুরঃ                                      
অনেক আশা ভরসা করেছিল এলাকার সাধারণ মানুষ, ওই পাড়াই  একটি পুলিশ সদস্য হলে তাদের বিপদে আপদে উপকারে আসবে ওই পুলিশ সদস্য শিহাব, কিন্ত এই পুলিশ সদস্যই  আজ তাদের আশা ভরসা ভেঙ্গে উল্টো বিপদ গামী হয়ে, পুলিশের ক্ষমতা দেখিয়ে অসহায় মানুষকে মারধর, জোরপূর্বক জমি দখল, অন্যের জমি থেকে সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে জোর করে গাছ কেটে নেওয়া। অতপর তার বিরোদ্ধে বিভিন্ন  থানায় সাধারন ডাইয়েরী ও অভিযোগ  সহ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে,  মামলা নং (সিআর ২৬২)। 
সরেজমিনে অনুসসন্ধানে জানাযায়, গাজীপুর উপজেলার নাগরী ইউনিয়নের তালীয়া গ্রামের  কাঁচামাল ব্যবসায়ী গোলজার হোসেন রাজের ছেলে শিহাব রাজের(২১) মায়ের তথ্য মতে  এস.এস.সি  পাস করে বছর দেরেক আগে পুলিশ বাহিনীতে কনষ্টেবল হিসাবে যোগদান করেন।
ওই এলাকার এমদাদ,আলাউদ্দিন, ফিরুজ মিয়া, রুবেল সহ একাদিক নারী পুরুষ প্রতিবেককে পেয়ে আবেগাপণ্য হয়ে বলেন। শিহাব পুলিশে যোগদানের পর এলাকার সাধারন অসহায় মানুষ আশায় বুকে দানা বেধেঁ ছিল। যে কোন বিপদ আপদে পুলিশ কনষ্টেবল শিহাব তাদের পার্শে^ দ্বাড়াবে। কিন্তু  মাস ছয়েক পার হওয়ার পর, পাশর্^ বর্তি বাড়ীর দিনমুজুর আলী আকবরের স্ত্রীকে মারধর করেন শিহাব।
 এর রেশ কাটতে না কাটতেই পাশর্^বতি মৃত-জয়নাল আবেদীনের ছেলে কামরুলের নারায়নগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার বীর হাটাবো মেীজায় আর এস ১০,১১,১২দাগে ৫০ শতাংশ  পৈত্রিক জমি  গত ০৫-১০-১৭ইং তারিখে সকালে গাজীপুর, নারায়নগঞ্জ দুই জেলার  বেশ কিছু সন্ত্রাসী নিয়ে, গাছপালা কেটে কাঁটা তাঁরের বেড়া দিয়ে  জোর পূর্বক পুলিশ কনষ্টেবল শিহাব জমি দখল করার চেষ্টা করলে। জয়নাল আবেদীনের ছেলে কামরুল এলাকার লোক জন নিয়ে এগিয়ে গেলে সে পালিয়ে যায় ।  ঘটনার  পরের দিন    রূপগঞ্জ থানায় পুলিশ কনষ্টেবল শিহাব  সহ আটজনকে আসামী করে একটি লিখিত  অভিযোগ দ্বায়ের করেন । এখানেই শেষ নায় “পুলিশ কনষ্টেবল শিহাবের রাম রাজত্ব”  সে আবার গত ১১-১০-১৭ থেকে ১৩-১০-১৭ইং পযর্ন্ত টানা তিনদিন কালীগঞ্জ উপজেলার নাগরী ইউনিয়নের তালীয়া গ্রামে কামরুলের পৈত্রিক ভিটা থেকে শিহাব সহ ২০/২৫ জন সন্ত্রাসী বাহিনী প্রায় আনুমানিক বাজার মূল্য ২লক্ষ একাষি হাজার টাকার গাছ কেটে নিয়ে যায়।
এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট থানা ও উলোখোলা পুলিশ ফাঁড়িতে তার বিরোদ্ধে লিখিত অভিযোগ করলে, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।   
এ বিষয়ে, উলোখোলা পুলিশ ফাড়ির  ইনচার্জ  এস.আই. সাইফুল ইসলাম এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমি অভিযোগের বিত্তিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে   কনষ্টেবল শিহাবকে গাছ কাটতে নিষেধ করে আসছি।
ভুক্তভোগি পরিবার ও মামলার বাদী কামরুল রাজ প্রতিবেদকে জানান, আমি এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট থানা ও উলোখোলা পুলিশ ফাঁড়িতে তার বিরোদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছি। কিন্ত ঘটনাস্থল  পুলিশ গেলে শিহাব লোক জন নিয়ে পালিয়ে যায়। পুলিশ চলে আসলে শিহাব আবার তার দল বল নিয়ে গাছ কাটা শুরু করেন। 
পরে কামরুল বাদী হয়ে, বিজ্ঞঃ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিঃ আদালত গাজীপুরে আট জনের নাম উল্লেখ করে আরও অজ্ঞ্যত ২০/২৫ নামে  মামলা রুজু করেন। ওই মামলায়   কনষ্টেবল শিহাবকে ১নং ও  ইউপি সদস্য আসমাকে ৭নং আসামী করা হয়েছে । 
পরে আদালতের নির্দেশে গত ৩১/১০/১৭ইং তারিখে ইনভেষ্টিগেশন অফ পুলিশের এস আই শাকিলের নেত্রীতে তদন্তে আশে পুলিশ।  
এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগি পরিবার টেলিফোনে প্রতিবেদকে আরও জানায়, যদি কেও সাংবাদিক ও পুলিশের নিকট স্বাক্ষী দিবে, তাকে প্রান নাশ ও বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে  দেওয়ার  হুমকি দেয় শিহাব।  
এ বিষয়ে অভিযোক্ত পুলিশ সদস্য শিহাবের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি ঘটনার সত্যতা শিকার করে, বার বার অনুরোধ করেন, সংবাদটি না প্রচার  জন্য ।
ভুক্তভোগি পরিবার, এলাকাবাসী,সমাজের গন্যমান্য ব্যাক্তি বর্গরা বলেন, এই পুলিশ সদস্য পুরো পুলিশ বাহিনীর সুনাম নষ্ট করছে, অচিরেই তার বিরোদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা না নিলে সে পুরো পুলিশ বাহিনীর গায়ে কলংকের দাগ লাগাবে ।

 আইন-শৃংখলা থেকে আরোও সংবাদ

আর্কাইভ