শনিবার , ১৫ মে ২০২১ |

লিটন সরকার বাদল, কুমিল্লার মেঘনা থেকে 

যে কোনো মানুষের সফল হওয়ার পেছনে একটি দীর্ঘ সময় ধরে শ্রম ও সাধনা থাকে।সময়ের মূল্য বুঝে যারা সঠিক সময়ে সঠিক কাজ করে তারাই তো সফল হয়। তেমনি একজন সফল উদ্যোক্তা  উপজেলার মানিকার চর ইউনিয়ন যুবলীগেরসভাপতি  উজানচর নোয়াগাঁও গ্রামের মো.জাকির হোসেন। 

নিজের অদম্য চেষ্টার বিনিময়ে তিনি আজ একজন সফল উদ্যোক্তা। জেড এম এগ্রোফার্ম নামের একটি গরুর খামার রয়েছে। পাশাপাশি তিনি নিজস্ব জমিতে মাটি খনন করে পুকুরতৈরী করে রুই,কাতলা,তেলাপিয়া, চিতলসহ বিভিন্ন জাতের মৎস্য চাষ করছেন।

জেড এম এগ্রো নামের এই খামারকে প্রতিষ্ঠিত করে আলোর মুখ দেখাতে  তিনি দিনরাত কঠোর পরিশ্রম করে, বর্তমানে এলাকারপ্রায় ১৫-২০ জন যুবকের কর্মসংস্থান করেছেন তিনি। 

ফার্মের চেয়ারম্যান মো.জাকির হোসেন জানান, আগামী কোরবানি ঈদকে সামনেরেখে এখানে সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে বিভিন্ন জাতের দেশী,বিদেশি গরু মোটা-তাজাকরণ করাহচ্ছে। উন্নত জাতের দেশী -বিদেশী প্রায় ২০০ টি ষাড় গরু রয়েছে।

এগুলো আসছে ঈদুল-আযহাতে কোরবানির হাটে বিক্রি করা হবে। তিনি আরও বলেন, প্রতিটি গরু মোটা তাজা করার পেছনে চলছে হাড়ভাঙা খাটুনি।এসব গরুর পরিচর্যায়ও রয়েছে কয়েকজন প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত কর্মী। তারা খামারের গরুগুলোরসেবা যত্ন করছেন।

তিনি আরও জানান, প্রথমেই আমার ইচ্ছে ছিলো একটি গরুর খামার ও মৎস চাষকরার।আমার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে সহযোগীতা করেছিলো হোমনা শাখার ব্রাক ব্যাংক। ব্যাংকথেকে ঋণ নিয়ে আমি আমার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করি।

শিক্ষিত বেকার যুবকদের উদ্দেশ্যে মো.জাকির হোসেন বলেন, আমাদের দেশে অনেকতরুণ আছে শিক্ষা জীবন শেষ করে বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্ত হতে পারছে না। আমি বলতেচাই, নিজে উদ্যোগী হোন। প্রথমে স্বল্প পুঁজিতে ২/৩ টি গরুর পাশাপাশি হাঁস-মুরগী পালনকরুন। দেখবেন একদিন নিজে স্বাবলম্বী হয়ে গেছেন।"

কেউ গরুর খামার পরিদর্শন ও গরু ক্রয় করতে আগ্রহী হলে যোগাযোগ করতে পারেনজেডএম এগ্রো ফার্মের ব্যবস্থাপক মো.দুলাল মিয়ার সাথে তার ব্যবহৃত মুঠোফোন নম্বরটি দেওয়াহলো:  ০১৮১৮৩৫১৯২১

 সারা বাংলা থেকে আরোও সংবাদ

ই-দেশকাল

আর্কাইভ