শনিবার , ১৫ মে ২০২১ |

লিটন সরকার বাদল,দাউদকান্দি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েরঅধীনস্থ শহীদ তিতুমীর কলেজের অনার্স তৃতীয় বর্ষের ছাত্র মোঃ নুরুউদ্দীন আহমেদ করোনাকালেশিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় অবসর সময় পার করছিলেন। তখন দাউদকান্দি উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরেরসহায়তায় মাচা পদ্ধতিতে তরমুজ চাষে করতে উৎসাহী হন এই  তরুণ উদ্যোক্তা। এরপর থেকে অনাবাদি ৪ শতাংশ জমিতেমাচা পদ্ধতিতে তরমুজ চাষ শুরু। অসময়ে মাচা পদ্ধতিতে তরমুজ চাষ করে সাফল্য এসেছে তাঁর।সোমবার (০৩ মে ২০২১) সকালে দাউদকান্দি উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের মাচা পদ্ধতিতেতরমুজ চাষের পরিদর্শনে যান দাউদকান্দি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মেজর মোহাম্মদ আলী(অব.)দাউদকান্দি উপজেলা চেয়ারম্যান মেজর মোহাম্মদ আলী (অব.) বলেন, দাউদকান্দিতে প্রথমবারেরমতো মাচা পদ্ধতিতে বারোমাসী তরমুজ চাষ করে সফলতা পেয়েছে । নুরু‌উদ্দীন পেশাদার কোনচাষি নন, ছাত্র। করোনা পরিস্থিতির কারণে তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। প্রতি ইঞ্চি জমিআবাদের আওতায় আনার বিষয়ে সরকারের নির্দেশ অনুসরণ করে তিনি এই উদ্যোগ নিয়েছেন। তিনিআরো বলেন, ‘মাচা পদ্ধতিতে তরমুজ চাষাবাদ করলে বৃষ্টি-বর্ষায় ক্ষতির পরিমাণ কম হয়। কমখরচে লাভবানও হওয়ার সুযোগ রয়েছে। এই তরমুজ চাষ করতে তার ৬ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এরইমধ্যে ৩৫০টি তরমুজ বিক্রি করার উপযোগী। ভালো দাম পেলে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকায় বিক্রিকরতে পারবে বলে,সে আশা করেছে।আমি এমন তরুণউদ্যোক্তাদের কৃষি উন্নয়ন এবং সম্প্রসারণে এগিয়ে আসলে আমার সার্বিক পরামর্শ ও সহযোগীতাকরবো।

উদ্যোক্তা বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া মোঃ নুরুদ্দিন আহমেদ বলেন বলেন, ‘করোনাভাইরাসের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধহলে বাড়িতে চলে আসি। অনেকটা অবসর সময় কাটছিল। হঠাৎ একদিন ইউটিউবে দেখতে পাই, মাচা পদ্ধতিতেঅসময়েও তরমুজ চাষ করা যায়। আর সময় না করে বাড়ির পাশের অনাবাদি জমিতে তরমুজ চাষের উদ্যোগনেই। দাউদকান্দি উপজেলা কৃষি অফিসার স্যার ও কৃষি উৎপাদনের সকলের সার্বিক সহযোগিতায়বারোমাসী তরমুজ চাষ করতে সক্ষম হই।

দাউদকান্দি উপজেলাকৃষি কর্মকর্তা সারোয়ার জাহান জানান,  নিজেদেরঅনাবাদি ৪ শতাংশ জমিতে বারোমাসী তরমুজ চাষের শুরু করেন তরুণ উদ্যোক্তা মোঃ নুরুদ্দিনআহমেদ। গত সেপ্টেম্বরের শুরুতে তরমুজ চাষ প্রক্রিয়া শুরু করে।আজ সরেজমিনে এসে দেখলাম, মাচায় সবুজ লতায় মোরানো গাছ, এর ফাঁকে ফাঁকে ঝুলছে তরমুজ। প্রতিটি তরমুজ সুতার জালেমোরানো। একেকটি তরমুজ তিন থেকে চার কেজি ওজনের। বেশিরভাগ তরমুজ এখন বিক্রয় উপযোগী।‘

 সারা বাংলা থেকে আরোও সংবাদ

ই-দেশকাল

আর্কাইভ