মঙ্গলবার , ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১ |

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ ডিপিডিসি’র টেন্ডারে প্রস্তাবনার চেয়ে প্রায় ৯৮ শতাংশ বেশি মূল্য দিয়ে বৈদ্যুতিক ক্যাবলস ক্রয়ের পায়তারা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। একটি কুচক্রী মহল সরকারের চলমান উন্নয়ন বিশেষ করে বৈদ্যুতিক সেক্টরকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে এধরনের চক্রান্ত করছে বলে গুঞ্জন উঠেছে। সাধারণত টেন্ডারে স্টিমেট এর চেয়ে ক্ষেত্র বিশেষে সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ বেশি মূল্যে সরঞ্জাম সরবরাহ হতে পারে। এর বেশি হলে পূনরায় টেন্ডার করা হবার কথা। না হলে এধরনের ঘাপলায় ভয়ঙ্কর সমস্যার সৃষ্টি হয়। 

তথ্যমতে, এ বছর ৩১ মে তারিখে ডিপিডিসির নিজস্ব বাজেটের আওতায় প্রায় ৭০ কিলোমিটার দৈর্ঘের ১১ কেভি ৩-কোর, ৩০০ স্কয়ার মি.মি. ভুগর্ভস্থ এক্সএলপি কপার ক্যাবলস সরবরাহ টেন্ডার ওপেন হয়। যার প্রাক্কলিন ব্যয় আটান্ন কোটি ছাব্বিশ লক্ষ আশি হাজার টাকা ধার্য করা ছিলো। টেন্ডারটি প্রকাশ করা হয়েছিলো এ বছর এপ্রিলের ৪ তারিখে। উক্ত বৈদ্যুতিক ক্যাবলস ক্রয় বিষয়ে বোর্ডের ২৯৭তম সভায় সিদ্ধান্ত হয় যেখানে ছিলেন বোর্ডের পরিচালক, প্লিয়াদিশ ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো: মনিরুজ্জামান। 

টেন্ডারটি প্রকাশ হবার পর পার্টেক্স ক্যবলস, পলি ক্যাবলস, বিআরবি কেবলস, বিবিএস কেবলস কোম্পানি অংশগ্রহণ করে। পলি কেবলস এবং পার্টেক্স কেবলস প্রথম দিকে টেকনিক্যালী বাদ পড়ে যায়। অন্য দুটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বিবিএস কেবলস কোম্পানি থেকে ডিপিডিসি’র একটি স্বার্থন্বেসী মহল স্টিমেট মূল্যের চেয়ে প্রায় ৯৮% বেশি দামে এসব সরাঞ্জাম সরবরাহ নেয়ার পায়তারা করছে বলে গুঞ্জন উঠেছে। এধরনে কাজ দেবার জন্য প্রতিষ্ঠানটির যদিও উল্লেখযেগ্য সাপ্লাই রেকর্ড নাই। এছাড়া উক্ত কোম্পানির বেশকিছু নেতিবাচক প্রসঙ্গ আছে বলেও জনশ্রুতি রয়েছে। যাদের প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা নেই সেখান থেকে  ৯৮% বেশি দিয়ে সরবরাহ করা এধরনের সরঞ্জাম কিভাবে ১১০০০ ভোল্ট কেরী করবে এটি একটা বিরাট প্রশ্ন। এরপরও এধরনের পায়তারা প্রধানমন্ত্রীর চলমান উন্নয়ন প্রশ্নবিদ্ধ করতে স্বার্থন্বেসী একটি মহলের কুদৃষ্টি বলেই মনে করছে বিজ্ঞ মহল। 

পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, আরইবি, ডেসকো, পিজিসিবি, পিডিবি এধরনের সরঞ্জাম টেন্ডারে সরবরাহ’র ক্ষেত্রে স্টিমেট এর ২০ শতাংশের বেশি মূল্যে ক্রয় করেনি। যদি টেন্ডারে মূল্য সামঞ্জস্যপূর্ণ না হয়ে থাকে তবে সেটি রিভাইস করা যেতে পারে এবং সংগতিপূর্ণ মূল্য পূনরায় নির্ধারণ করে পূন:টেন্ডার কল করা নিয়মের মধ্যে পড়ে। এক্ষেত্রে প্রয়োজনে কোয়ালিটি  আরো ইনসিউর করার জন্য আন্তর্জাতিক টেন্ডার কল করাও যেতে পারে যাতে প্রকৃত মূল্যও যাচাই সম্ভব হয় । অন্যথায় এধরনের পায়তারা ভয়ংকর সমস্যা ও জটিলতা সৃষ্টি করবে বলে অভিজ্ঞরা মনে করছে। 
ডিপিডিসি সাধারণত সরকারের চলমান উন্নয়নের সাথে একাত্ন হয়ে তাদের বিভিন্ন কর্মকান্ডে উন্নত বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি ব্যবহার করতে সচেষ্ট। এক্ষেত্রে ডিপিডিসির রয়ে দীর্ঘ সময়ের সুনাম ও সাফল্য।

 অর্থ-বাণিজ্য থেকে আরোও সংবাদ

ই-দেশকাল

আর্কাইভ