মঙ্গলবার , ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১ |

আইচের সেঞ্চুরি ও নাইমুরের ৫ উইকেটে সিরিজ বাংলাদেশের যুবাদের

অনলাইন ডেস্ক   মঙ্গলবার , ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

প্রথম ম্যাচে ১৬ রানের জয়, তবে সম্বল ছিল ১৫৪। দ্বিতীয় ম্যাচে ১০২ রান তাড়া করতেই নেই ৭ উইকেট। প্রথম দুই যুব ওয়ানডেতে নিশ্চিতভাবেই আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিপক্ষে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বোলারদের পারফরম্যান্স ছিল দারুণ, ব্যাটসম্যানরাই শুধু জ্বলে উঠতে পারছিলেন না।

আজ সিলেটে তৃতীয় ম্যাচে আগে ব্যাট করে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ তুলেছে ২২২ রান, ব্যাটিংয়ে উন্নতি বলতেই হবে। সেঞ্চুরি করে আলো কাড়েন আইচ মোল্লা। এরপর বাঁহাতি স্পিনার নাইমুর রহমান মাত্র ১৭ রানে ৫ উইকেট নেওয়ায় আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দল থেমেছে ১০১ রানেই।

টানা তৃতীয় জয়ে ৫ ম্যাচের সিরিজ বাংলাদেশের যুবারা জিতল ২ ম্যাচ হাতে রেখেই। টসে জিতে ব্যাটিং নিয়েছিলেন বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ অধিনায়ক মেহরব হাসান। তবে ৬ রানের মধ্যেই তাঁরা হারিয়ে ফেলেন ২ উইকেট, ১ রান করা প্রান্তিক নওরোজের পর শূন্য রানে ফেরেন খালিদ হাসান।

মফিজুল ইসলামকে নিয়ে তৃতীয় উইকেটে আইচ যোগ করেন ৬৭ রান, ৯৩ বলে ২৭ রান করে মফিজুল ফিরলে ভাঙে সে জুটি। অধিনায়ক মেহরবের সঙ্গে আইচের চতুর্থ উইকেট জুটিতে ওঠে ৫৩ রান, যদিও সে জুটিতে মেহরবের অবদান মাত্র ৭। এরপর তাহজিবুল ইসলামের সঙ্গে ৩৩ রানের পর আবদুল্লাহ আল মামুনের সঙ্গে আরও ৪৯ রান তোলেন আইচ।

আইচ ফিফটি পূর্ণ করেন ৭৪ বলে। তবে ফিফটি থেকে সেঞ্চুরিতে যেতে তাঁর লেগেছে আর ৫০ বল। ফয়সাল খান আহমেদজাইয়ের বলে ফ্লিক করে চার মেরে সেঞ্চুরির মাইলফলকের দেখা পান ডানহাতি আইচ। শেষ পর্যন্ত তাঁর বলেই ক্যাচ তুলে ফেরেন তিনি। ১৩০ বলে ১০৮ রানের ইনিংসে আইচ মেরেছেন ৮টি চারের সঙ্গে ৪টি ছয়। এদিন দলের ৪৮.৬৪ শতাংশ রান একাই করেছেন তিনি।

৪৯তম ওভারের প্রথম বলেই আইচ ফিরেছিলেন, বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের রান ছিল তখন ২০২। শেষ পর্যন্ত তারা ২২২ রান পর্যন্ত গেছে মূলত মামুনের ২০ বলে ৩২ রানের ঝোড়ো ইনিংসে। ১টি চারের সঙ্গে ৩টি ছয় মেরেছেন মামুন। আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলের আহমেদজাই ৩ উইকেট নিয়েছেন ৩৯ রানে, ১টি করে উইকেট নিয়েছেন নাভিদ জাদরান, ইজহারুলহক নাভিদ ও ইজাজ আহমেদ।

রান তাড়ায় আফগানিস্তানের যুবারা প্রথম উইকেট হারায় ১৩তম ওভারে। তবে রান তুলতে হিমশিম খেয়েছে তারা। ১৯তম ওভারে দ্বিতীয় উইকেট হারানোর সময়ও তাদের রান ছিল মাত্র ৩৬। সাবাউন বানুরি ও সুলিমান সাফি—দুই আফগান ওপেনারকেই ফিরিয়েছেন অফ স্পিনার আরিফুল ইসলাম।

মাঝে অধিনায়ক ইজাজ ও বিলাল সায়েদি জুটি গড়ার চেষ্টা করলেও ৩২ রানের বড় হয়নি সেটা। পরে এ দুজনকেই ফিরিয়েছেন নাইমুর। পরের দুই উইকেটও নিয়েছেন নাইমুরই—জাহিদুল্লাহ সালিমি ও ইজাজ আহমেদ আহমেদজাইয়ের দুজনই হয়েছেন স্টাম্পড। এরপর ডানহাতি পেসার রিপন মণ্ডল নিয়েছেন ৩ উইকেট। নিজের অষ্টম ওভারে এসে নাভিদকে ক্যাচ বানিয়ে নিজের পঞ্চম উইকেট পেয়েছেন নাইমুর।

নাইমুরের (১৭) চেয়ে কম বা সমান রান দিয়ে যুব ওয়ানডেতে বাংলাদেশের হয়ে ৫ উইকেট নিয়েছেন আর তিনজন—২০১৩ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে নিহাদুজ্জামান (৫/১২), ২০০০ সালে নামিবিয়ার বিপক্ষে হান্নান সরকার (৫/১৫), ২০১৩ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মেহেদী হাসান মিরাজ (৫/১৭)।

 খেলাধুলা থেকে আরোও সংবাদ

ই-দেশকাল

আর্কাইভ