বৃহস্পতিবার , ০২ ডিসেম্বর ২০২১ |

ব্রাহ্মণবাড়িয়াপ্রতিনিধি: 

পুলিশেরসোর্স ও নির্মাণ শ্রমিক মো. রেজাউল এর অপকর্ম নিয়ে সচিত্র প্রতিবেদনব্রাহ্মণবাড়িয়ার স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশ করার জেরে দায়ের করা মামলা খারিজ করে দিয়েছেনআদালত। পুলিশের সোর্স ও নির্মাণ শ্রমিক মো. রেজাউল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৫ সাংবাদিকদেরবিরুদ্ধে এই মামলাটি দায়ের করেছিলেন। গত ১৮ অক্টোবর সোমবার সকালে চট্টগ্রাম সাইবারট্রাইব্যুনাল আদালতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৫(৩)(ক), ২৯(১) ধারায় মামলাটি দায়েরকরার পর শুনানী শেষে বিজ্ঞ আদালত ওইদিনই মামলাটি খারিজ করে দেন। মামলায়ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দৈনিক একুশেআলো সম্পাদক সেলিম পারভেজ, দৈনিকফ্রনটিয়ার সম্পাদক আব্দুল মালেক, দৈনিকএকুশে আলো রিপোর্টার হাফেজ মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন খান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অনলাইননিউজ পোর্টাল হোয়াইট নিউজরবার্তা প্রধান ইফতেয়ার রিফাত ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল  

সময়কাল প্রকাশক শরীফ মাহমুদকে বিবাদী করা হয়েছিল। চট্টগ্রাম সাইবারট্রাইব্যুনাল আদালত মামলাটি খারিজের এই আদেশটি বুধবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া এসেপৌছেছে। এদিকে পুলিশের কথিত সোর্স ও নির্মাণ শ্রমিক মো. রেজাউলের বিরুদ্ধেকিশোরীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আদালতে মামলা হয়েছে। মামলাটি পুলিশব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তদন্ত করে দেখছে। তবে বুধবার পযন্ত আদালতেপ্রতিবেদন পাঠায়নি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ব্রাহ্মণবাড়িয়া।ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নারী ও শিশু নির্যাতন আদালতের বিশেষ ট্রাইব্যুনালে চলতি বছরের ১৮জুলাই ধর্ষণ চেষ্টা মামলা দায়ের করেছেন শীলতাহানির শিকার এক তরুনী। আদালত মামলাটিআমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে তদন্তেরনির্দেশ দিয়েছেন। মামলায় পুলিশের সোর্স মো. রেজাউলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টারঅভিযোগ করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার ভাদুঘরের নোয়াপাড়া গ্রামের মো. দুলাল মিয়ারস্কুল পড়ুয়া কন্যা কিশোরী সানজিদা আক্তার সায়মা।

মামলায় বাদীনি অভিযোগ করেন বলেনপুলিশের সোর্স রেজাউল বাদীনির পিতাকে মৎস্যজীবী জেলে হিসেবে সরকারি কার্ড এবংবাদীনির মাকে সরকারিভাবে সেলাই মেশিন পাইয়ে দেয়ার কথা বলেন। পরবর্তীতে রেজাউলেরখবরের ভিত্তিতে ঘটনার তারিখ ও সময়ে মৎস্যজীবী কার্ড ও সেলাই মেশিন নেয়ার জন্যবাদীনি রেজাউলের বাসায় আসলে বাদীনিকে একা পেয়ে রেজাউল তাকে যৌন হয়রানি করেন ওধর্ষণের চেষ্টা করেন। তবে অভিযোগের বিষয়ে মো. রেজাউলের মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি। তবেমামলার বাদী কিশোরী সানজিদা আক্তার সায়মা জানান পুলিশের সোর্স ও নির্মাণ শ্রমিকমো. রেজাউলের বিচার দাবি করেন।

এ সময় মামলা তুলে নেওয়া জন্য পুলিশের সোর্স পরিচয়দিয়ে আমাকে ও আমার পরিবারকে চাপ ও হুমকি দিচ্ছে বলে সে অভিযোগ করেন। এই ব্যাপারেব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপারমোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন বুধবার দুপুরে জানান আমি মামলার বিষয়ে খোঁজ খবর নিচ্ছি।অপরাধী যে হউক না কেন, তদন্তে যা আসবে তা আদালতে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

 

 

 

 সারা বাংলা থেকে আরোও সংবাদ

ই-দেশকাল

আর্কাইভ