মঙ্গলবার , ২৯ নভেম্বর ২০২২

আত্মসমর্পণকারী ১০১ ইয়াবা কারবারির কারাদণ্ড

চট্টগ্রাম ব্যুরো   বুধবার , ২৩ নভেম্বর ২০২২

কক্সবাজারের টেকনাফে আত্মসমর্পণ করা ১০১ জন ইয়াবা কারবারিকে মাদক মামলায় দেড় বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অস্ত্র মামলায় সবাইকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৩ নভেম্বর) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ইসমাইল এই রায় দেন। রায় ঘোষণার আগে বেলা ১১টার দিকে ১৭ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। বাকি আসামিরা জামিনে পলাতক।

ওই ১৭ জন হলেন—মো. তৈয়ব, মোহাম্মদ হাশেম, মো. শাকের মিয়া, ফরিদ আলম, জাফর আলম, আবু তৈয়ব, নুরুল হুদা মেম্বার, আলী নেওয়াজ, আব্দুল করিম, কামাল হোসেন, মাহবুব আলম, রশিদ আহমেদ, নূরুল বশর, মো. আইয়ুব, আব্দুর রহমান, শাহ আলম ও দিল মোহাম্মদ।


২০১৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি টেকনাফ সদরের টেকনাফ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের উপস্থিতিতে ১০২ জন ইয়াবা কারবারি ৩ লাখ ইয়াবা, দেশে তৈরি ৩০টি বন্দুক ও ৭০টি গুলিসহ আত্মসমর্পণ করেন।

সেদিনই তাদের আসামি করে টেকনাফ মডেল থানায় অস্ত্র ও মাদক আইনে মামলা করা হয়। মামলার বাদী টেকনাফ থানার ওই সময়ের পরিদর্শক (অপারেশন) শরীফ ইবনে আলম। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় পরিদর্শক এ বি এম এস দোহাকে।

পরদিন আদালতের মাধ্যমে সব আসামিকে কক্সবাজার জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। বিচারিক কার্যক্রম চলার সময় ২০১৯ সালের ৭ আগস্ট মোহাম্মদ রাসেল নামের এক আসামি অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।


এরপর ২০২০ সালের ২০ জানুয়ারি কক্সবাজারের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম তামান্না ফারাহর আদালতে ১০১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। পরে মামলাটি জেলা ও দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হয়। সে বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইল সব আসামির উপস্থিতিতে অভিযোগ গঠন করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফরিদুল জানান, দুই মামলায় ২১ জন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। আসামিদের মধ্যে ১৭ জন বাদে বাকিরা জামিনে পলাতক। তাদের অনুপস্থিতিতেই রায় ঘোষণা করা হয়েছে।

দৈনিক দেশকাল/ এফওয়াই/ জেডআরসি/ ২০ নভেম্বর, ২০২২

 গ্রাম বাংলা থেকে আরোও সংবাদ

ই-দেশকাল

আর্কাইভ