শুক্রবার , ১৯ July ২০২৪

বাংলাদেশ ও ভারতের জন্য একটি টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিতে ডিজিটাল ও সবুজ অংশীদারিত্বের জন্য একটি যৌথ দৃষ্টিভঙ্গিতে সম্মত হয়েছে ঢাকা ও নয়াদিল্লি বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের যাত্রায় উভয় দেশই ‘ভিশন স্টেটমেন্ট’ অনুমোদন করেছে। আমরা ‘ডিজিটাল পার্টনারশিপ’ এবং টেকসই ভবিষ্যতের জন্য সবুজ অংশীদারিত্বর জন্য একটি যৌথ দৃষ্টিভঙ্গিতে সম্মত হয়েছি।শনিবার (২২ জুন) নয়াদিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর গণমাধ্যমের সামনে এক যৌথ বিবৃতিতে এ মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা।ভারতকে বাংলাদেশের প্রধান প্রতিবেশী, বিশ্বস্ত বন্ধু এবং আঞ্চলিক অংশীদার হিসেবে বর্ণনা করে শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৭১ সালে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময় শুরু হওয়া ভারতের সাথে সম্পকর্কে বাংলাদেশ ব্যাপকভাবে মূল্যায়ন করে।তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক ক্রমাগত বাড়ছে। আজ আমাদের খুব ফলপ্রসূ বৈঠক হয়েছে যেখানে আমরা পারস্পরিক স্বার্থের অন্যান্য বিষয়গুলির মধ্যে রাজনীতি ও নিরাপত্তা, বাণিজ্য সংযোগ, অভিন্ন নদী থেকে পানি বণ্টন, বিদ্যুৎ এবং আঞ্চলিক ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেছি, বলেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আমাদের জনগণ ও দেশের উন্নতির জন্য একে অপরের সাথে সহযোগিতা করতে সম্মত হয়েছি। যেহেতু ঢাকা ও দিল্লি নতুন যাত্রা শুরু করেছে। তিনি বলেন, উভয় পক্ষই উচ্চ পর্যায়ের সম্পর্ক বজায় রেখেছে, যার মধ্যে সর্বোচ্চ স্তর রয়েছে।তিনি আরও বলেন, যেহেতু ঢাকা ও দিল্লি নতুন যাত্রা শুরু করেছে, উভয় দেশ রূপকল্প ২০৪১ ও বিকশিত ভারত ২০৪৭ অনুসরণ করে একটি স্মার্ট বাংলাদেশ নিশ্চিত করার জন্য ভবিষ্যতের কর্মপন্থা নির্ধারণ করেছে।শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত 'ডিজিটাল পার্টনারশিপ' এবং 'টেকসই ভবিষ্যতের জন্য সবুজ অংশীদারিত্ব' এর জন্য একটি অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি রাখতে সম্মত হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং এ বছরের জানুয়ারিতে তার নতুন সরকার গঠনের পর এটি তার প্রথম কোনো দেশে দ্বিপক্ষীয় সফর।তিনি ২০২১ সালে নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফর, এর আগে তার ভারত সফরসহ ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে নয়াদিল্লিতে তার সর্বশেষ দ্বিপক্ষীয় সফরের কথা স্মরণ করেন।এ মাসের শুরুতে (৯ জুন) প্রধানমন্ত্রী মোদির শপথ অনুষ্ঠানে তিনি অন্যান্য বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আমি একই মাসে (জুন ২০২৪) নজিরবিহীনভাবে দ্বিতীয়বারের জন্য নয়াদিল্লি সফর করছি।তিনি বলেন, যা আমাদের দুই দেশের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের প্রমাণ। বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক প্রতিনিয়ত দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেছেন, যেখানে তারা দু'দেশের মধ্যে সহযোগিতামূলক সম্পর্কের উপায় ও অর্থ নিয়ে আলোচনা করেছেন।তিনি মোদিকে তার সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

 জাতীয় থেকে আরোও সংবাদ

ই-দেশকাল

আর্কাইভ