• ঢাকা
  • রবিবার , ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , রাত ০৩:৫৬
শিরোনাম
হোম / অন্যান্য
রিপোর্টার : অনলাইন ডেস্ক:
কারও চাঁদাবাজি করার সুযোগ নেই, সুযোগ থাকবে না : সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী

কারও চাঁদাবাজি করার সুযোগ নেই, সুযোগ থাকবে না : সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী

প্রিন্ট ভিউ

সড়ক পরিবহণ, রেলপথ ও নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ে নবনিযুক্ত মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীনে কারও চাঁদাবাজি করার কোনো সুযোগ নেই, সুযোগ থাকবে না। আজ বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় তিনি এ কথা বলেন।

সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী বলেন, রেল যোগাযোগ সম্প্রসারণ করার পাশাপাশি পর্যাপ্ত ইঞ্জিন এবং বগি বাড়িয়ে এ সেবাকে আরও উন্নত করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এছাড়া সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করবে সরকার।

ঈদ যাত্রায় স্বস্তি আনতে ঈদের ছুটি বাড়ানো যায় কিনা ও তৈরি পোশাক শিল্প কারখানায় আগেই ছুটি দেওয়া যায় কিনা তো নিয়ে সরকারের চিন্তা-ভাবনা রয়েছে। আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সড়কমন্ত্রী।

পরিবহণে চাঁদাবাজির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, মালিক ও শ্রমিক সমিতিগুলো নিজেদের কল্যাণে সম্মতির ভিত্তিতে কিছু টাকা তোলেন। তবে কেউ যদি বাধ্য করে টাকা নেন সেটা চাঁদাবাজি এবং তেমন কিছু করার সুযোগ নেই। অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না।

শেখ রবিউল আলম বলেন, ঢাকার যানজট নিরসনে অন-স্ট্রিট পার্কিং বাতিলের প্রস্তাবটি বিবেচনা করা হবে। সিটি করপোরেশন যত্রতত্র পার্কিং ইজারা দিয়ে থাকলে তাদের ডেকে বাতিল করার কথা বলা হবে। এছাড়া ঈদের সময় গার্মেন্টসে দুই দিন আগে ছুটি দেওয়ার প্রস্তাবটিও প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ও সংশ্লিষ্ট মালিকদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে বিবেচনার আশ্বাস দেন তিনি।

মেট্রোরেলের কাজ দ্রুতগতিতে শুরু হয়েছে এবং তা দ্রুততম সময়ের মধ্যে শেষ হবে। বিআরটি প্রজেক্টের বিষয়ে বলা হয়েছে, এটি রাষ্ট্রবান্ধব হয়নি বরং কোনো গোষ্ঠী বা রাষ্ট্রের স্বার্থে নেওয়া হয়েছিল। ১২ থেকে ১৪ লেনের রাস্তার মাঝখানে দুটি লেন ব্যবহার করার নজির কোথাও নেই। এই প্রকল্প নিয়ে সরকার বা মন্ত্রণালয়ের তেমন আগ্রহ নেই। তবে ঋণের বিষয় ও আইনি জটিলতা থাকায় এটি বন্ধ করার প্রক্রিয়াটি সময়সাপেক্ষ ও জটিল বলেও জানান সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী।

যেখানে জনস্বার্থ থাকে সেখানে দলীয় স্বার্থ নগণ্য-এ কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, অতীতে শ্রমিক সংগঠন বা ক্ষমতাসীন দলের আধিপত্য থাকলেও আগামীতে তা থাকবে না। সরকারপ্রধান আমাদের সততা ও কর্মতৎপরতার ওপর বিশ্বাস রেখে দায়িত্ব দিয়েছেন। আমরা দুর্নীতিমুক্ত ও স্বচ্ছভাবে মন্ত্রণালয় পরিচালনা করতে বদ্ধপরিকর। রাজনৈতিক নেতার ঊর্ধ্বে উঠে আমরা এখন রাষ্ট্র ব্যবস্থাপনার অংশ এবং সবার স্বার্থ সংরক্ষণ করাই আমাদের নীতি।


অন্যান্য

আরও পড়ুন