পাঁচ লাখ টাকার যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতন ও মাথার চুল কেটে দেওয়ায় রক্তাক্ত শরীর নিয়ে গত মঙ্গলবার থানায় হাজির হয়েছিল এক গৃহবধূ। থানায় গিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই গৃহবধূ তার ওপর নির্যাতনের অভিযোগ করেন এবং গৃহবধূ কাটা চুল পুলিশের টেবিলে উপর রেখে নির্যাতনের বর্ণনা দেন বলে জানা যায়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতন ও চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগে ভুক্তভোগী নারীর করা মামলার প্রধান আসামি দ্বীন ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (৬ মে) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে নরসিংদী সদর মডেল থানার খালপাড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার (৫ মে) আখাউড়ার রামধননগর গ্রামে এক গৃহবধূকে যৌতুকের দাবিতে মারধর ও তার মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে আখাউড়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
মলার পর আখাউড়া থানা-পুলিশ অভিযান শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নরসিংদীর খালপাড় এলাকায় অবস্থান নিশ্চিত হয়ে গতকাল রাতে অভিযান চালিয়ে দ্বীন ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাবেদ উল ইসলাম বলেন, যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আইনগত অনুসারে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।