• ঢাকা
  • রবিবার , ১৫ মার্চ ২০২৬ , বিকাল ০৪:১৮
শিরোনাম
হোম / সারাদেশ
রিপোর্টার : আশীষ সাহা, আখাউড়া প্রতিনিধি :
বিজয়নগরে যানবাহন চলাচলের আতংকিত সেতু

বিজয়নগরে যানবাহন চলাচলের আতংকিত সেতু

প্রিন্ট ভিউ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজয়নগর উপজেলার প্রধান সড়ক চান্দুরা- আখাউড়া সড়ক। উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের আড়িয়াল বাজার সংলগ্ন একটি পুরোনো সেতু আছে যার অবস্থা বর্তমানে যান চলাচলের অনুপযোগী। তাছাড়া  যানচলাচলের অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন  এ সড়ক দিয়ে ছোট বড় হাজার হাজার  যানবাহন চলাচল করে থাকে।

সেতুটির মধ্যভাগে বড় আকারের গর্ত সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে কংক্রিট খসে পড়ে লোহার রড বের হয়ে আছে। সেতুর  মাঝখানের ভাঙা অংশ আগেই স্টিল সাটার দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে,এর মধ্য দিয়েই প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে হাজার হাজার ভারী ও হালকা যানবাহন।আখাউড়া - বিজয়নগর  ও কসবা উপজেলার সাথে সরাসরি সংযোগ সড়কের এ সেতু প্রায় তিন লক্ষাধিক মানুষের চরম আতংকিত হয়ে দাঁড়িয়েছে এ সেতুটি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সেতুটি আনুমানিক ১৯৯৫ সালের দিকে বা তারও আগে নির্মিত হয়। চান্দুরা থেকে আখাউড়া পর্যন্ত যোগাযোগে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে বিভিন্ন ধরনের পণ্যবাহী ট্রাক, বাস, সিএনজি ও অন্যান্য যানবাহন চলাচল করে।

বর্তমানে সেতুটি বেহাল অবস্থার কারণে যাত্রী ও এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যপক আতঙ্ক বিরাজ করছে। যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন প্রতিদিন চলাচলের যাএীদের। তাছাড়া প্রতি বৃহস্পতিবার আখাউড়া খড়মপুর মাজার শরীফের ভক্তদের সমাগম অনেক বেড়ে যায় তার কারণে রাত দিন জুড়েই চলতে থাকে হাজার হাজার যানবাহন।

অটো রিক্সা চালক তাজুল ইসলাম জানান , সেতুটি এ পরিস্থিতি হওয়ায় আমাদের অনেক সমস্যা পোহাতে হচ্ছে। এতটা যে বিপরীত দিক থেকে গাড়ি এলে সবাই দাঁড়িয়ে পড়ে। এতে সময়ও যেমন যা তেমনি আমাদের মতো অসহায় মানুষের আয়ও কমে যায়।

প্রতিদিন পথচারী মো: আব্দুল মোতালেব  বলেন, এ সেতুটির কারণে তীব্র যানজট যেমন সৃষ্টি হয়। এতে করে অনেক বিলম্বনা পোহাতে হয় আতংকের মধ্যে। একটি মালবাহী টাক গাড়ি যদি সেতুতে আটকে যায় তাহলে আতংকিত থাকতে হয়। আমি প্রতিদিন এই রোডে চলাচল করতে হয় আমার অফিসিয়াল কাজের জন্য।কিন্তু মাঝে মধ্যে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় সেতুটি মনে হয় ভেঙ্গে পড়ে যাবে।

এলাকাবাসীর দাবি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত সেতুটি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় মেরামত বা বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার একান্ত জরুরি। বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আগেই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

এবিষয়ে বিজয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ হাছিবুর রহমান সাথে গতকাল  মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে, দৈনিক যায়যায়দিন প্রতিনিধিকে বলেন,আমি ইঞ্জিনিয়ারের সাথে কথা বলে দেখি কিভাবে দ্রুত সমাধান করা যায়।আশাকরি খুব শিগগিরই সেতুটি ঝুকিমুক্ত হবে।

সারাদেশ

আরও পড়ুন