• ঢাকা
  • বৃহঃস্পতিবার , ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , বিকাল ০৩:১৬
শিরোনাম
হোম / অন্যান্য
রিপোর্টার : অনলfইন ডেস্ক:

চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মা মারা গেছেন


চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মা মারা গেছেন

প্রিন্ট ভিউ

সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর মা সন্ধ্যা রানী ধর মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা ৩৪ মিনিটের দিকে চট্টগ্রামের হাটহাজারীর শ্রীশ্রী পুণ্ডরীক ধাম আশ্রমে তিনি মারা যান।

পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, মৃত্যুর আগে গত মঙ্গলবার নিজেই এই আশ্রমে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর মা সন্ধ্যা রানী ধর। চিন্ময় কৃষ্ণ দাসও দীর্ঘদিন এই আশ্রমে থাকতেন।

এর আগে অসুস্থ হওয়ার পর চট্টগ্রামের মা ও শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। স্বাস্থ্য পরীক্ষায় তার ক্যান্সার শনাক্ত হয়।
তবে হাসপাতালে থাকতে চাইছিলেন না সন্ধ্যা রানী ধর। ছেলের আশ্রমেই জীবনের শেষ সময় কাটানোর ইচ্ছা ছিল তার।

২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর থেকে সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ কারাগারে আটক আছেন। ছেলে দীর্ঘদিন কারাগারে থাকায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন সন্ধ্যা রানী ধর। ছেলের অসুস্থতার খবর, বারবার জামিন না হওয়া এবং কারাগার থেকে মুক্তি না পাওয়ায় তিনি গভীর দুশ্চিন্তায় ছিলেন বলে জানা গেছে। 

এর আগের দিন বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) গুরুতর অসুস্থ বৃদ্ধা মাকে দেখার জন্য চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে শর্ত সাপেক্ষে সাময়িক মুক্তি (প্যারোল) দেওয়ার আবেদন করেছিল তার পরিবার। চিন্ময়ের বড় ভাই রঞ্জন কুমার ধরের করা ওই আবেদন জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্বপ্রাপ্ত চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা ‘বিধান নেই’ জানিয়ে নাকচ করে দেন। 

জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে ২০২৪ সালের ৩১ অক্টোবর চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানায় চিন্ময়সহ ১৯ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়। বাদী ছিলেন নগরের চান্দগাঁও মোহরা ওয়ার্ড বিএনপির তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ খান।

ওই মামলায় ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর ঢাকা থেকে চিন্ময় দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন চট্টগ্রামের আদালতে হাজির করা হলে তার জামিন আবেদন নাকচ করা হয়। সে সময় তার অনুসারীদের সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সংঘর্ষের মধ্যে আদালতসংলগ্ন এলাকায় আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে।

এই ঘটনায় আলিফের বাবা জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে ৩১ জনের নাম দিয়ে হত্যা মামলা করেন। পরে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে ওই মামলায়ও চিন্ময় দাসকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

এ ছাড়া হত্যাচেষ্টা, হামলা, সরকারি কাজে বাধা, আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের ওপর হামলা এবং ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় পুলিশের করা তিনটি এবং আলিফের ভাইয়ের করা একটি মামলাসহ আরো কয়েকটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

অন্যান্য

আরও পড়ুন