রাজধানী ঢাকার ৬৫ নং ওয়ার্ডের সার্বিক চিত্র পরিবর্তন এবং নাগরিক জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে একগুচ্ছ জনকল্যাণমুখী প্রতিশ্রুতি নিয়ে নির্বাচনী মাঠে সরব হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মনোনীত কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মারুফ আহমেদ ফেরদাউস। দীর্ঘদিনের অবহেলিত এই এলাকাটিকে একটি নিরাপদ, স্বাচ্ছন্দ্যময় ও গতিশীল ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তোলাই তাঁর মূল লক্ষ্য। কোনো প্রকার ব্যক্তিগত সুবিধা বা স্বার্থ অর্জনের জন্য নয়, বরং সম্পূর্ণ নিষ্ঠার সঙ্গে জনগণের সেবায় আত্মনিয়োগ করতে চান এই প্রার্থী। হিংসা-বিদ্বেষ ও প্রতিহিংসার রাজনীতির চিরবসানের মাধ্যমে এলাকায় শান্তি ও সামাজিক সৌহার্দ্য ফিরিয়ে আনার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ব্যক্ত করেছেন তিনি।
এলাকার মৌলিক সংকটগুলো নিরসনে মারুফ আহমেদ ফেরদাউস বেশ কিছু যুগান্তকারী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। তরুণ ও যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে এবং তাদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বেকারত্ব দূরীকরণে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানান তিনি। পাশাপাশি এলাকাকে মাদক ও চাঁদাবাজির অভিশাপ থেকে সম্পূর্ণরূপে মুক্ত করার কঠোর ঘোষণা দিয়েছেন। নারী ও মা-বোনদের চলাচলের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ওয়ার্ডজুড়ে প্রয়োজনীয় সামাজিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা জোরদারের আশ্বাস দেন এনসিপির এই প্রার্থী।
তরুণদের সুস্থ মানসিক ও শারীরিক বিকাশের কথা চিন্তা করে ৬৫ নং ওয়ার্ডে অন্তত একটি আধুনিক ও স্থায়ী খেলার মাঠ নির্মাণের দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি। সমাজের সকল শ্রেণী, পেশা ও সর্বস্তরের মানুষের মাঝে ভ্রাতৃত্বপূর্ণ মেলবন্ধন গড়ে তুলে একতাবদ্ধ সমাজ তৈরির স্বপ্ন দেখছেন তিনি। সেবাদানের ক্ষেত্রে শতভাগ স্বচ্ছতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি স্পষ্টভাবে বলেন— জনগণ বিনামূল্যে ভোট দিয়ে প্রতিনিধি নির্বাচিত করবেন এবং বিনিময়ে কোনো অনৈতিক লেনদেন বা টাকা ছাড়া প্রতিটি নাগরিক সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হবে।
ওয়ার্ডের প্রতিটি পাড়া-মহল্লার বাসিন্দাদের সরাসরি পরামর্শ ও মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে একটি জবাবদিহিমূলক ও আদর্শ মডেল ওয়ার্ড গড়ে তুলতে চান মারুফ আহমেদ ফেরদাউস। সর্বস্তরের মানুষের ভালোবাসা ও সহযোগিতা কামনা করে তিনি জানান, সাধারণ মানুষের ঐক্যবদ্ধ সমর্থনই পারে ৬৫ নং ওয়ার্ডে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন ও সুশাসন এনে দিতে।